বুধবার, ২০২৬ নভেম্বর ০৪ | ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Crime24TV Logo
আর্কাইভ বাংলা কনভার্টার
Crime24TV Logo
Logo
Logo

ক্রাইম ২৪ প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ সংবাদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং নগরজীবনের অজানা তথ্য পাঠকের সামনে তুলে ধরে।

সম্পাদক: তাওহিদ হোসেন মিঠু

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:

মসজিদ মার্কেট (২য় তলা),
ছোটরা, কুমিল্লা-৩৫০০।

02334400099, 02334404652
০১৭২৬০১২০০৭ 
০১৭১১৩৮৮১৫৫

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন
🔴 সর্বশেষ:
চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর গুজব, যা জানাল পেট্রোবাংলা লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে আটক সার্ভেয়ার আসাদুল যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে: জামায়াত আমির ভারতীয় নাগরিকের পায়ুপথ থেকে দেড় কোটি টাকার সোনার বার উদ্ধার আসামে মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার আগে নারীদের কান্না ও মোনাজাত ঝাড়ফুঁকের নামে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, কবিরাজের বিরুদ্ধে মামলা নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকচাপায় ২ বৃদ্ধ নিহত কুমিল্লায় ৩০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল ২৪৭, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে ছাত্রদলের প্রতিবাদ আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে কমবে গ্যাস সরবরাহ ৪৭ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন ইউপি সদস্য আমিনুল কাজহীন দিবস আজ ডাক্তার বলেছে আর মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর বাঁচব: তানিয়া বৃষ্টি মন্দিরে আটকে রেখে দুই নারীকে ধর্ষণ, পুরোহিতসহ গ্রেপ্তার ২ সংসার সামলে ১৫ বছর পর এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেলেন রীতি খাতুন চিকিৎসা ব্যয়ের নামে আটকে রাখা ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি অনৈতিক কাজের ভিডিও ভাইরাল , জামায়াত নেতার বসতঘর ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা ‘স্যারের ভুলের জন্য আজ এমন হলো’- শেষ চিরকুটে এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবার এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন এবার জিপিএ-৫ এ এগিয়ে ছেলেরা চালক ও যাত্রীদের সহায়তায় বাসে সন্তান প্রসব
প্রতিবেদক - | বৃহস্পতিবার, ২০২৬ সেপ্টেম্বর ১০, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
পাড়ার মানুষের গোপন কথা বিক্রি করে দুই বাড়ির মালিক হলেন নারী
পাড়ার মানুষের গোপন কথা বিক্রি করে দুই বাড়ির মালিক হলেন নারী

পাড়ার মানুষের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহল অনেকেরই থাকে। তবে সেই কৌতূহল মেটাতে প্রতিবেশীদের সম্পর্ক, ঝগড়া কিংবা গোপন কর্মকাণ্ডের খবর সংগ্রহ করে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করার পেশা বানিয়ে ফেলেছেন কলম্বিয়ার ৬৭ বছর বয়সী এক নারী। তার দাবি, এই অদ্ভুত ব্যবসা থেকে আয় করে তিনি দুটি বাড়িও কিনেছেন।

গালফ টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিরিয়ামের বাড়ি কলম্বিয়ার কুইন্দিও বিভাগের আর্মেনিয়া শহরে। কনটেন্ট নির্মাতা লেডি দানিয়েলার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে নিজের পেশা সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। সেখানে নিজেকে পেশাদার ‘চিসমোসা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে মিরিয়াম বলেন, ‘আমি গসিপ ভালোবাসি।’ স্প্যানিশ ভাষায় ‘চিসমোসা’ বলতে গসিপপ্রিয় বা পরচর্চাকারী নারীকে বোঝায়।

আশপাশে কী ঘটছে, কে কার সঙ্গে সম্পর্কে জড়াচ্ছেন, কার সংসারে সমস্যা চলছে কিংবা প্রতিবেশীদের মধ্যে কোথায় ঝগড়া হচ্ছে—এসব বিষয়ে নজর রাখেন মিরিয়াম। পরে এসব তথ্য আগ্রহী ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেন তিনি।

প্রতিবেশীদের সম্পর্কে ছোটখাটো তথ্যের জন্য কয়েক হাজার কলম্বিয়ান পেসো নেন মিরিয়াম। তবে কোনো খবর সংবেদনশীল কিংবা বিস্তারিত হলে তার দামও বেড়ে যায়। তিনি জানান, একবার এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ভ্রমণে গেলে তার পরকীয়ার বিষয়টি গোপন রাখার বিনিময়ে তাকে ৭ লাখ কলম্বিয়ান পেসো দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

মিরিয়ামের দাবি, এই কাজের ক্ষেত্রে তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা। বাড়ির বাইরে সময় কাটানোর সময় তিনি আশপাশের মানুষের কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করেন এবং তাদের কথাবার্তাও শোনেন। তথ্য ভুলে না যাওয়ার জন্য সঙ্গে একটি নোটবুক রাখেন তিনি। তার মতে, এতে বিভিন্ন ঘটনার বিবরণ নির্ভুলভাবে মনে রাখা যায় এবং ক্রেতাদের কাছে দেওয়া তথ্যের পক্ষে প্রমাণ দেখানোও সহজ হয়।

সাক্ষাৎকারের সময় নিজের বাড়ির একটি বোর্ডও দেখান মিরিয়াম। সেখানে প্রতিবেশীদের ছবি এবং তাদের সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য লেখা রয়েছে। কিছু ছবিতে পরকীয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃশ্য রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার কাছে এসব ছবি ও তথ্য পাড়ার বিভিন্ন ঘটনার একটি ব্যক্তিগত আর্কাইভের মতো।

মিরিয়াম জানান, গসিপ বিক্রির এই ব্যবসা থেকে আয় করে তিনি শুধু দৈনন্দিন খরচই চালান না, দুটি বাড়িও কিনতে সক্ষম হয়েছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি একটি বড় মাটির ব্যাংকও দেখান, যেখানে কয়েন ও কাগজের নোট রাখা ছিল। তার দাবি, গসিপ বিক্রি করে সাধারণত যে অর্থ আয় করেন, সেগুলোই সেখানে জমা করেন।

নিজের কাজের বিষয়ে বেশ সিরিয়াস মিরিয়াম। তার দাবি, প্রমাণ ছাড়া তিনি কোনো তথ্য ছড়ান না। পাড়ায় প্রায় সবকিছু সম্পর্কে জানেন—এমন পরিচিতির কারণে তার ডাকনাম হয়েছে ‘গসিপের রানি’। নিজের কাজ নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘গসিপই আমার জীবন, এটা আমার রক্তে মিশে আছে।’

তবে মিরিয়ামের এই কর্মকাণ্ডে সবাই যে সন্তুষ্ট, তা নয়। কয়েকজন প্রতিবেশী তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন। তাদের আপত্তি সত্ত্বেও মিরিয়ামের দাবি, যারা একসময় তার কাজের সমালোচনা করতেন, তারাই পরে আশপাশে কী ঘটছে জানার কৌতূহল থেকে আবার তার কাছে ফিরে আসেন।

মিরিয়াম আরও জানান, অন্য কয়েকজনও তার এই ব্যবসার ধরন অনুসরণ করার চেষ্টা করছেন। তবে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং মানুষের কর্মকাণ্ড ও কথাবার্তা থেকে তথ্য সংগ্রহের দক্ষতার কারণে নিজের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি।

মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।